1. admin@manobkollan.com : admin :
  2. mkltdnews@gmail.com : Anamul Gazi : Anamul Gazi
  3. mdrifat3221@gmail.com : MD Rifat : MD Rifat
  4. mkltd2020@gmail.com : Mehedi Hasan : Mehedi Hasan
  5. riff1431@gmail.com : Shariar R. Arif : Shariar R. Arif
মাদারীপুরে নিখোঁজের ১১ মাস পরে স্কুলছাত্রীর লাশ প্রেমিকের বাড়ির সেপ্টিট্যাঙ্কের নিচ থেকে উদ্ধার - মানব কল্যাণ
সোমবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২১, ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
আসসালামু আলাইকুম  মানবকল্যাণ এর সাথে যুক্ত হওয়ার জন্য  আপনাকে অভিনন্দন। আমরা আপনাদের সহযোগীতায় একদিন শিখরে পৌছাব "ই"। ইনশাআল্লাহ । বিজ্ঞপ্তিঃ সারাদেশব্যপী প্রতিনিধি নিয়োগ চলিতেছে।   ই-মেইলঃ info@manobkollan.com ফোন নাম্বারঃ 01718863323

মাদারীপুরে নিখোঁজের ১১ মাস পরে স্কুলছাত্রীর লাশ প্রেমিকের বাড়ির সেপ্টিট্যাঙ্কের নিচ থেকে উদ্ধার

মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : সোমবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২১
মানব কল্যাণ
লাশ উদ্ধার

মাদারীপুরে নিখোঁজের ১১ মাস পরে স্কুলছাত্রীর লাশ প্রেমিকের বাড়ির সেপ্টিট্যাঙ্কের নিচ থেকে উদ্ধার

মাহামুদুল হাসান মাদারীপুরের ডাসারে নিখোঁজের ১১ মাস পর প্রধান আসামী শাহাবুদ্দিন আকনের স্বীকারোক্তিতে স্কুলছাত্রী মুরশিদার লাশ শনিবার রাত ৮টার দিকে কালকিনি উপজেলার ডাসার থানার বালিগ্রাম ইউনিয়নের পূর্ব বোতলা গ্রামের শাহাবুদ্দিন আকনের বাড়ির সেপ্টিট্যাঙ্কের নিচ থেকে স্কুলছাত্রী মুরশিদার লাশ উদ্ধার কেরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।পুলিশ ও মামলার সুত্রে জানা যায়, মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার ডাসার থানার পূর্ব বোতলা গ্রামের মজিদ আকনের ছেলে শাহাবুদ্দিন আকনের সাথে একই গ্রামের চাঁন মিয়ার মেয়ে স্কুলছাত্রী মুরশিদা আক্তারের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরে পারিবারিক ভাবে তাদের বিয়ের কথা হয়।

২০২০ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারী সকাল ৭টায় সময় মুরশিদা ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে বের হয়। কিন্তু দিন শেষে মুরশিদা বাড়িতে না ফিরলে মুরশিদার বাড়ির লোকজন অনেক খোজাখুজি করে মুরশিদাকে না পেয়ে ১৯ ফেব্রুয়ারী ডাসার থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করে। পরে গত ৪ মার্চ মরশিাদার মা মাহিনুর বেগম বাদি হয়ে শাহাবুদ্দিন আকনকে প্রধান আসামী করে ৫ জনের বিরুদ্ধে ডাসার থানায় একটি অপহরন মামলা দায়ের করে। দীর্ঘ দিনে মামলার কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় গত ১৮ ডিসেম্বর মামলার তদন্তভার জেলা গোয়েন্দা শাখায় স্থানান্তর করে জেলা পুলিশ। গত ৩১ ডিসেম্বর তারিখে প্রধান আসামী শাহাবুদ্দিন আকন আদালতে আত্মসমর্পণ করে। পরে আদালত শাহাবুদ্দিনকে জেল হাজতে প্রেরন করে। পরে আসামীকে দুই দিনের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসা করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

আসামী শাহাবুদ্দিনের স্বীকারোক্তিতে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার সময় শাহাবুদ্দিনের বাড়ির সেপ্টিট্যাঙ্কের নিচ থেকে স্কুলছাত্রী মুরশিদার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আসামীদের ফাসির দাবি জানায় মুরশিদার আত্মীয় স্বজনরা। হত্যাকান্ডের কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে মুরশিদার ছোট খালু রিপন শেখ বলেন, শাহাবুদ্দিনদের আর্থিক অবস্থা ভালো। তার দুই ভাই বিডিআরে চাকরি করে। শাহাবুদ্দিনের সাথে মুরশিদার বিয়ের কথা হলেও মুরশিদাদের আর্থিক অবস্থা খারাপ থাকায় পরে তারা বিয়েতে রাজি ছিল না। এ কারণেই মুরশিদাকে হত্যা করে লাশ গুম করার চেষ্টা করে শাহাবুদ্দিন।

জাইতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘এ মামলাটি গত ১৮ ডিসেম্বর আমাদের হাতে আসে। তদন্তের স্বার্থে আমরা আসামির রিমান্ড চাই। পরে রিমান্ডে থাকাকালীর তার দেখানো স্থানেই অভিযান চালিয়ে মুরশিদার লাশটি উদ্ধার করি। লাশটি দীর্ঘ ১১ মাস সেপটিক ট্যাংকের নিচে থাকায় লাশটি পঁচে গলে গেছে। আমরা লাশের কঙ্কাল ও পড়নে থাকা কালো রঙের বোখরা, ভেন্টি ব্যাগসহ বেশ কিছু আলামত পেয়েছি। লাশটি ডিএনএ পরিক্ষার জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে সংরক্ষণ করা হয়েছে।’

সোসাল মিডিয়ায় সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

বিভাগ

Development Nillhost
error: Content is protected !!