রোমানা আক্তার রুমি স্বামীর বাড়ীতে আততায়ীর হাতে খুন

manobkollan

 রোমানা আক্তার রুমি স্বামীর বাড়ীতে আততায়ীর হাতে খুন

নোয়াখালীতে সৌদি প্রবাসী মোশারেপ হোসেন এর স্ত্রী রোমানা আক্তার রুমি(২৫) স্বামীর বাড়ীতে আততায়ীর হাতে খুন হয়েছে। জানা যায়,নোয়াখালী-সেনবাগ-৭ নং ইউপির-উঃ মোহাম্মদ পুর-৭নং ওয়ার্ড এর করিম মাস্টারের বাড়ী সৌদী প্রবাসী মোশারপ হোসেনের স্ত্রী (রোমানা) সেনবাগ উপজেলা’র- ৭ নং ইউনিয়ন- ৩নং ওয়ার্ড- দঃ রাজারামপুর,খালাসী বাড়ির মোঃ শাহাবুদ্দিন এর মেয়ে রোমানা আক্তার (২৫) গত রবিবার ২৭/১২/২০২০ইং বেলা ১ঘটিকার সময় তার বাসুর আবুল হোসেনের ৬নং ইউপির, শায়েস্তানগর(জিরগাজি) শশুরবাড়ীতে যায়, ওখান থেকে বেলা ২টার সময় চলে আসেন তার শশুর বাড়ীতে। একই ইউপির- উঃ মোহাম্মদপুর- ৭নং ওয়ার্ড- করীম মাস্টারের বাড়ীর মোঃ সুরুজ মিয়ার ছেলে এবং আবুল হোসেনের ছোট ভাই সৌদী প্রবাসী মোশারপ হোসেন এর সাথে প্রায় ৮ বছর আগে বিয়ে হয় ।

তাদের ঘরে ৫বছরের একটা ছেলে সন্তান আছে। আশপাশের লোকজন থেকে জানা যায়, বাড়ীতে আসার পরও রোমানা স্বাভাবিক ছিলো। গতকাল দূপুর ২টা সময় শশুর বাড়ীতে আসেন। প্রায় সন্ধা ৬টার সময় নিহতের বড় ভাই সবুজ খবর পায় তার বোন নিহত হয়েছে!! তারা রোমানার শশুর বাড়ীতে যাওয়ার পর দেখতে পান তার রুমের দরজা খোলা অবস্থায় রক্তাত্ত ভাবে রোমানার লাশ পড়ে আছে। পরবর্তিতে, থানা পুলিশ ঘটনার স্থল থেকে রোমানার লাশ থানায় নিয়ে আসেন রাত প্রায় ১০টার সময়। ২৮শে ডিসেম্বর সকালে লাশ ময়না তদন্তের জন্য নোয়াখালী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। ময়না তদন্ত শেষে লাশ রোমানার বাপের বাড়ীতে নিয়ে আসে, এই মুহুর্ত্বে আত্বীয় স্বজনের আহাজারীতে আকাশ বাতাস ভারী হয়ে যায়। প্রাথমিক ভাবে নিহতের ভাই সবুজ জানায় তার বোনকে পরিকল্পিতভাবেই হত্যা করা হয়েছে, নিহতের_বড়ভাই_সবুজের_অভিযোগঃ- সন্ধা ৬টার সময় যখন জানতে পারে তার বোন নিহত হয়েছে, দ্রুত ঘটনার স্থলে আসি দেখতে পান, মুখ দিয়ে রক্ত এবং একটা হাত বাঁকা অবস্থায় সে তার (বসত ঘরে নিজের রুমে) ফ্লোরে লাশ হয়ে পড়ে আছে!! তারপর থানা পুলিশ গিয়ে লাশ থানায় নিয়ে আসে।

আজ সোমবার ২৮/১২/২০২০ইং ময়না তদন্ত শেষ করে নিহতের বাবার বাড়ীতে নিয়ে যায় এবং বাবার বাড়ীতেই লাশ দাফন করা হয়। সাংবাদিক জাহাঙ্গীর(শায়েস্তা নগরী) ভাই সহ আমরা ঘটনাস্থলে গেলে নিহতের বড়ভাই সবুজ তাৎক্ষনিক ভারাক্রান্ত মনে সাময়িক কিছু অভিযোগ করে বলেন দীর্ঘদিন দরে রোমানার ভাসুর আবুল হোসেন এবং তার স্ত্রী, বাড়ীর চাচাতো দেবর “রুবেল” সহ পারবারিক কলহ চলছে এবং বিভিন্ন সময়ে হুমকি-ধমকি দিয়েছে। সূত্রে বর্নিতঃ -ভাসুর আবুল হোসেনের সেজো মেয়ে প্রকাশ নাম “লিমা” বয়স-১৮। সে নিহত রোমানা কে “মা” ডাকে এবং নিহত রোমানা তার দায়িত্বে লিমাকে বিয়ে দেন, এইটা আবুল হোসেন, তার স্ত্রী এবং চাচাতো দেবর রুবেল ভালো ভাবে মেনে নেয়নি।

তাই লিমা কে তার স্বামীর বাড়ীতে যেতে না দিয়ে নানার বাড়ীতে আটকিয়ে রাখে গতকালও নিহত রোমানা মেয়েকেই দেখতে যায়, এই নিয়েও গতকাল কথা কাটাকাটি, হুমকি ধমকি হয়েছে। নিম্নে সবুজের সামান্য সাক্ষাতকসর দিয়েছেন, পরবর্তিতে নিহত রোমানার বড়ভাই সবুজ বলেন, সাংবাদিক সন্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি সবাইকে জানানো হবে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মামলার প্রকৃয়া চলছে। বর্তমানে অভিযুক্তরা পলাতক আছে, আমরাও কাউকে খুঁজে পাইনি শুধু নিহতের ৭০বছরের শাশুড়ী বাড়ীতে আছেন। আমরাও আশাকরি, সুষ্ঠু তদন্ত হবে নোয়াখালী পুলিশ সুপার মহোদয়ের আর সেনবাগ থানার প্রশাসনের কাছে অনুরোধ দ্রুততম সময়ে মামলা রুজু করে, আসামীদের কে গ্রেফতার করলে সত্য প্রকাশ হবে।

Author: Mansur Talukder

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *