মাশরাফির সঙ্গে গাইলেন সাকিব-মুশফিক-তামিম-মাহমুদউল্লাহ

মানব কল্যাণ

মাশরাফির সঙ্গে গাইলেন সাকিব-মুশফিক-তামিম-মাহমুদউল্লাহ

একসঙ্গে গাইলেন বাংলার ক্রিকেটের পঞ্চপাণ্ডব। কয়েকটি গানে একসঙ্গে ঠোঁট নাড়লেন মাশরাফি-সাকিব-মুশফিক-মাহমুদুল্লাহ-তামিম। নাচের তালে তালে ক্রিকেট তারকাদের এই গানের দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হতে মোটেও সময় লাগেনি।

বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের পাঁচ দলের ক্রিকেটার, কোচিং স্টাফদের হোটেল সোনারগাঁওয়ে রাখা হয়েছে। সেখানেই শুক্রবার (১১ ডিসেম্বর) রাতে হোটেল সোনারগাঁওয়ের সুইমিং পুলের পাশে একত্রিত হয়ে নিজেদের একঘেয়েমি কাটিয়েছেন ক্রিকেটাররা। মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা-সাকিব আল হাসান-তামিম ইকবাল-মুশফিকুর রহিম-মাহমুদউল্লাহ রিয়াদদের ঘিরে বাকি ক্রিকেটাররাও যোগ দেন এই আনন্দ উৎসবে।

এই অনুষ্ঠানে অনেক ক্রিকেটার, কোচ-স্টাফ গান গেয়েছেন। তবে সব আকর্ষণ ছিল বাংলার সুপরিচিত পাঁচ ক্রিকেটারকে ঘিরে। বিশেষ করে ‘বাবা হরেক রকম পাগল দিয়া মিলাইছে মেলা, হরেক রকম পাগল দিয়া মিলাইছে মেলা, বাবা তোমার দরবারে সব পাগলের খেলা’ তাদের গাওয়া এই গানটিতেই সবচেয়ে বেশি আনন্দ পেয়েছেন ক্রিকেটাররা।

এই গানের তালে তালে সাকিব-তামিম-মাশরাফিরা ছাড়া নেচেছেন সব ক্রিকেটারই। শুধু এই একটি গানই নয়, শুক্রবার রাতে এমন অনেক সুন্দর সুন্দর গান মাশরাফি-সাকিব-মাহমুদউল্লাহদের কণ্ঠে উঠে এসেছিল।

শুধু ক্রিকেটাররাই নন, মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীর কোচ সারওয়ার ইমরানও তাদের সঙ্গী ছিলেন। তার গানের তালে তালে নেচেছেন গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনও। একটি গানে একত্রিত হয়ে নাচতে দেখা যায় বিশ্বজয়ী যুব দলের ক্রিকেটারদেরও। তবে বেশি জমেছে পঞ্চপাণ্ডবের নাচ-গান।

জেমসের বিখ্যাত একটি গান (বাবা কতদিন কতদিন দেখিনি তোমায়) মাশরাফি গাওয়া শুরু করতেই সাকিব বলতে থাকেন, ‘ভাই, গানের লিরিক্সটা মনে নাই, অন্য গান ধরেন।’ প্রতিউত্তরে মাশরাফি বলেন, ‘এই গান আমিও পারি না’। তারপর সাকিব বলে ওঠেন, ‘এমন গান ধরেন, যা সবাই গাইতে পারি।’ এটা শুনেই মাশরাফি গাইতে শুরু করেন, ‘বাবা তোমার দরবারে সব পাগলের মেলা’। এর পরেই যেন গানে ফর্ম ফিরে পান সাকিব।

এই গানের সুরে সুরে লম্বা চুল দুলিয়ে দুলিয়ে নেচে ওঠেন। তার নাচ দেখে পুরো চত্বর যেন ‘ওপেন কনসার্টে’ পরিণত হয়। চারদিকে মোবাইল ক্যামেরায় ভিডিও ধারণতো চলছিলই। পাশাপাশি মাশরাফি-মাহমুদউল্লাহদের নাচে উজ্জ্বীবিত ছিলেন বাকিরাও। মাশরাফিতো কিছুক্ষণ পরপর সাকিবের লম্বা চুল টেনে দিচ্ছিলেন।

অবশ্য শুক্রবারের এই আনন্দ উৎসব হৃদয়ে দাগ কেটে গেছে মাশরাফির। উৎসবের আমেজ শেষ হতেই অনুভূতি ভাগাভাগি করতে ফেসবুকে বসে যান বাংলাদেশের সফলতম এই অধিনায়ক।

লিখেছেন, ‘ভালোলাগা, ভালোবাসা এক না। …..রিয়াদ- খেলা হবে। কোচ, ফিজিও, ট্রেনার, কম্পিউটার স্পেশালিস্ট, ম্যানেজার, টিম বয়, ম্যাসিওর এবং সব খেলোয়াড়…। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ী দল, বাংলাদেশের অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ, ভালোবাসা আরো কতো কি?

 


ফেসবুকে মানব কল্যাণ

বিশ্বে করোনায় মৃত্যু ১৬ লাখ ছাড়াল

Author: Mansur Talukder

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *