মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান

মোঃ আলমগীর হোসেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি:

মাদক সেবন,মা ইলিশ সংরক্ষণ এবং সারের দোকানে মোবাইল কোর্ট অভিযানে ৩ জনকে কারাদণ্ড প্রদান এবং ৪ জনকে অর্থদন্ড আরোপ করা হয়।

আজ বুধবার ১৪ অক্টোবর সকাল ১০ টা থেকে বেলা সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার এর দিকনির্দেশনায়, দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান এর নেতৃত্ব চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলা কার্পাসডাঙ্গা বাজার এবং দর্শনা বাসস্ট্যান্ডে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

এ সময় দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান সারের দোকানে গিয়ে দেখতে পাই যে সরকার নির্ধারিত মূল্যের অধিক মূল্যে সার বিক্রয় করা হচ্ছে। যেমন, টিএসপি সার বস্তা প্রতি ১১০০ টাকা কিন্তু বিক্রয় করা হচ্ছে ১৬৪০ টাকায়।

ভারতীয় কীটনাশক বিক্রয় করছে কোনরকম লিগ্যাল অথরাইজেশন ব্যতীত। অহরহ বিক্রয় করছে মেয়াদউত্তীর্ণ বালাইনাশক। অধিকাংশ দোকানেই নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও মূল্য তালিকা প্রদর্শিত হচ্ছে না।

ফলশ্রুতিতে, কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ, বলা হলেও এসব অসাধু ব্যবসায়ীদের জন্য সাধারণ কৃষক আজ হুমকীর সম্মুখীন।

সরকারের সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও কৃষির উন্নয়ন ব্যহত হচ্ছে এসব কালো ব্যবসায়ীদের প্রভাবে।

অপরাধের মাত্রা বিবেচনায় ১ জন সার ব্যবসায়ীকে ১৪ দিনের কারাদন্ড দেওয়া হয় এবং ৪ জনকে অর্থদন্ড দেওয়া হয়।

মাদক সেবনের জন্য ২ জনকে ১ মাস করে কারাদন্ড দেওয়া হয়।

মা ইলিশ সংরক্ষণে অভিযান করা হয়। এসময় কারেন্ট জাল নিধন এবং পিরানহা, আফ্রিকান মাগুর বিক্রয় করা যাবে না মর্মে ব্যবসায়ীদের সচেতন করেন দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান।

এ সময় সহযোগিতায় ছিলেন দর্শনা থানার অফিসার ইনচার্জ( ওসি) জনাব মোঃ মাহবুবুর রহমান, দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান, দামুড়হুদা উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের আয়ূব আলী।

এমতাবস্থায় মোছাঃ তাসলিমা খাতুন তার ০৪ বছরের সন্তান ও নিজের অসহায়ত্ব থেকে রক্ষা পেতে পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা মহোদয় উক্ত অভিযোগটি তার কার্যালয়ে অবস্থিত এবং নিজে উদ্বোধনকৃত “উইমেন সাপোর্ট সেন্টার” এ কর্মরত নারী এএসআই (নিরস্ত্র)/মিতা রানী বিশ্বাস’কে দিলে তিনি উভয় পক্ষকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হাজির করেন।

উইমেন সাপোর্ট সেন্টারের মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গা জেলার মানবিক পুলিশ সুপার জনাব মোঃ জাহিদুল ইসলাম এর প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় তাদের মধ্যে চলমান ভুল বুঝাবুঝির অবসান হয়।

এসময় মোঃ কামরুজ্জামান জনি ও মোছাঃ তাসলিমা দম্পতি পূর্বের ন্যায় সংসার করতে সম্মত হয়। ফলে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার জনাব মোঃ জাহিদুল ইসলাম এর হস্তক্ষেপে তাসলিমা খাতুন ফিরে পেল তার সুখের সংসার এবং তাদের শিশু সন্তান ফিরে পেল বাবা ও মায়ের আদর স্নেহ।

Author: Mansur Talukder

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *