1. admin@manobkollan.com : admin :
  2. mkltdnews@gmail.com : Anamul Gazi : Anamul Gazi
  3. mdrifat3221@gmail.com : MD Rifat : MD Rifat
  4. mkltd2020@gmail.com : Mehedi Hasan : Mehedi Hasan
  5. riff1431@gmail.com : Shariar R. Arif : Shariar R. Arif
সাহাবউদ্দিন মেডিকেলের মালিকের ছেলে গ্রেপ্তার - মানব কল্যাণ
রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১, ১০:৫৩ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
আসসালামু আলাইকুম  মানবকল্যাণ এর সাথে যুক্ত হওয়ার জন্য  আপনাকে অভিনন্দন। আমরা আপনাদের সহযোগীতায় একদিন শিখরে পৌছাব "ই"। ইনশাআল্লাহ । বিজ্ঞপ্তিঃ সারাদেশব্যপী প্রতিনিধি নিয়োগ চলিতেছে।   ই-মেইলঃ info@manobkollan.com ফোন নাম্বারঃ 01718863323

সাহাবউদ্দিন মেডিকেলের মালিকের ছেলে গ্রেপ্তার –

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২০
মানব কল্যাণ
মানব কল্যাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
করোনা পরীক্ষা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে সাহাবউদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ফয়সাল আল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। আজ সোমবার দুপুরের বনানীর একটি হোটেল থেকে ফয়সালকে গ্রেপ্তার করা হয় হয়।

এর আগে র‌্যাব রাজধানীর গুলশান থানায় ফয়সালসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করে। ফয়সাল হাসপাতালটির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাহাবউদ্দিনের বড় ছেলে।

গতকাল রোববার হাসপাতালে অভিযানের সময় গ্রেপ্তার দুই কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আবুল হাসনাত, কর্মকর্তা সাহরিজ কবির সাদিকে আটক করা হয়। এ দুজনকেও এই মামলার আসামি করে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম বলেন, এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মামলায় সাহাবউদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিরুদ্ধে অভিযোগে আনা হয়েছে, নেগেটিভ রোগীকে করোনা পজিটিভ রোগী বলে চিকিৎসা দেওয়া, পরীক্ষা না করে ভুয়া প্রতিবেদন দেওয়া এবং অনুমোদন না নিয়েই র‌্যাপিড কিট দিয়ে অ্যান্টিবডি পরীক্ষা করিয়ে আসছিল প্রতিষ্ঠানটি। এ ছাড়া আবুল হাসনাত নন–কোভিড ও কোভিড রোগীদের এক পরীক্ষা চারবার দেখিয়ে বিল করেছেন। একাধিকবার করোনা পরীক্ষার সনদ রোগীর ফাইলে সংযোজিত পাওয়া যায়নি। মামলায় আরও চার-পাঁচজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার বিবরণে বলা হয়, হাসপাতালটি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি করে আসছিল রোগীদের কাছে। এ ঘটনায় সারওয়ার আলম প্রতিষ্ঠাটিকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেন। হাসপাতালের পাঁচটি অপারেশন থিয়েটার রয়েছে। একটিতে তল্লাশি চালিয়ে পাঁচটি মেয়াদোত্তীর্ণ সার্জিক্যাল টিউব পান । এগুলোর একটি ২০০৯ সালে, দুটি ২০১১ সালে এবং একটি ২০২০ সালের এপ্রিলে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়। এসব টিউব সাধারণত অপারেশনে অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার সময় রোগীর শ্বাসনালিতে ঢোকানো হয়। এ ছাড়া হাসপাতালের লাইসেন্স গত বছর শেষ হয়ে যায়। এসবের সঙ্গে সাহাবউদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ফয়সাল, সহকারী পরিচালক আবুল হাসনাত ও শাহরিজ কবির জড়িত।

সোসাল মিডিয়ায় সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

বিভাগ

Development Nillhost
error: Content is protected !!