1. admin@manobkollan.com : admin :
  2. mkltdnews@gmail.com : Anamul Gazi : Anamul Gazi
  3. mkltd2020@gmail.com : Mehedi Hasan : Mehedi Hasan
  4. riff1431@gmail.com : Shariar R. Arif : Shariar R. Arif
ভাতা কার্ডের জন্য নারী ইউপি সদস্যের ঘুষ গ্রহণ - মানব কল্যাণ - মানব কল্যাণ
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ০২:২৫ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
অপরাধ করে পার পাচ্ছেন না, কেউ পুলিশও পাবে না ছাড় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চুয়াডাঙ্গার উক্ত গ্রামে এক ভন্ড কবিরাজের খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব হারাচ্ছে জন সাধারণ ট্রাক্টর-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে দুজন নিহত আহত ৮ নোয়াখালীর প্রবীণ সাংবাদিক আহসান উল্যা মাষ্টার চলে গেলেন না ফেরার দেশে মৌলভীবাজার জেলার শারদীয় দুর্গাপূজার মন্ডপ পরিদর্শন মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের প্রশিক্ষণ কর্মশালার শুভ উদ্বোধন ডালিয়া-জলঢাকা রোডে আবারও ডাকাতি ছিনতাই এবং খুন কয়েকটি দেশে করোনা পরিস্থিতি খুবই বিপজ্জনক হবে বিশ্বে করোনায় মৃত্যু প্রায় ১১ লাখ ৫০ হাজার চুয়াডাঙ্গায় জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার ডিমলার নাউতারায় পঞ্চম শ্রেণী ছাত্রী নিখোঁজ

ভাতা কার্ডের জন্য নারী ইউপি সদস্যের ঘুষ গ্রহণ – মানব কল্যাণ

মেহেদী হাসান
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২০

আবু রায়হান, মাগুরা প্রতিনিধিঃ

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার পলাশবাড়িয়া ইউনিয়নের নারী ইউপি সদস্য রেবেকা বেগম। বিভিন্ন সময়ে তার ওয়ার্ডের অতিদরিদ্র, অসহায়, কৃষক, দিনমজুরের কাছ থেকে বয়স্ক, মাতৃত্বকালীন এবং বিধবা ভাতার কার্ড করে দেবেন বলে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা ঘুষ নিলেও ভাতার কার্ড করে দেননি। এদিকে কার্ড না পেয়ে টাকা ফেরত চাইলে সেটিও পায়নি ভুক্তভোগীরা। বাধ্য হয়ে তাই গতকাল শনিবার টাকা ফেরত চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেছেন উপজেলার ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের ১৬ জন নারী ও পুরুষ ভুক্তভোগী।

অথচ কিছুদিন আগেই সব ধরনের ভাতার কার্ডে প্রতিনিধিদের টাকা না নিতে এবং আবেদনকারীদের টাকা না দিতে মাইকিং করে সচেতন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও এলাকার অসহায়, দরিদ্রদের এভাবেই ঠকিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন রেবেকা বেগম।

লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, রেবেকা বেগম তার ওয়ার্ডের ১৬ জন অতিদরিদ্র, অসহায়, কৃষক, দিনমজুরের কাছ থেকে বয়স্ক, মাতৃত্বকালীন এবং বিধবা ভাতার কার্ড করে দেওয়ার জন্য তিন থেকে ছয় হাজার করে টাকা নেন। পরে কার্ড না পেয়ে তারা টাকা ফেরত চাইলে ইউপি সদস্য তাদের জানান, ওই টাকা অফিসের কাজে খরচ হয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, ভাতা কার্ডের জন্য কাউকে টাকা অথবা উৎকোচ না দিতে বেশ কয়েকবার বিশেষভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সেটি মাইকিংসহ বিভিন্ন উপায়ে প্রচারও করা হয়েছে। সরকারি সেবা প্রদানে ঘুষ গ্রহণ এবং সরকারি সেবা গ্রহণে ঘুষ প্রদান উভয়ই শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোসাল মিডিয়ায় সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ

বিভাগ

মানব কল্যাণ ডট কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

Terms And Conditions |Privacy Policy  | About Us | Contact  Us
Development Nillhost