দর্শনা সীমান্ত চেকপোষ্ট দিয়ে দ্বিতীয়দিন ভারত আটকা পড়া বাংলাদেশী ফিরেছে দেশে করোনা পজেটিভ ১

দর্শনা সীমান্ত চেকপোষ্ট দিয়ে দ্বিতীয়দিন ভারত আটকা পড়া বাংলাদেশী ফিরেছে দেশে করোনা পজেটিভ ১

বৈধ পথে ভারতে চিকিৎসার জন্য যাওয়া বাংলাদেশী আটকা পড়া পাসপোর্ট যাত্রীরা মঙ্গলবার সারাদিনে চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা সীমান্ত চেকপোষ্ট দিয়ে দ্বিতীয় দিনে ৬৫জন ফিরেছে । এদের মধ্যে এক জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। তাকে চুয়াডাঙ্গাা সিভিল সার্জন করোনা আইসোলেশনে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

দর্শনা ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা আব্দুল আলীম জানান, সোমবার থেকে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত ভারত থেকে আসা বাংলাদেশী পাসপোর্ট যাত্রীরা করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট ও দূতাবাসের এন ও সি সনদ সহ বৈধ কাগজপত্র জমা দিলেই শুধু তাদেরকে নেয়া হচ্ছে । সোমবার প্রথম দিন সন্ধ্যায় মাত্র ১১জন ফিরলেও মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশে প্রবেশ করেছে নারী পুরুষ মিলে ৬৫ জন।এর মধ্যে ৬৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা নেগেটিভ আসলেও বি বাড়িয়ার নাসিরনগর থানার বুকারনি গ্রামের ওয়াহেদ মিয়ার কন্যা সাবিনা খাতুন (৩৫) নমুনা পরীক্ষার করোনা রিপোর্ট আসে পজিটিভ । খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা এ এস এম মারুফ হাসান দর্শনা চেকপোষ্টে পরিদর্শন করেন ও সাবিনা খাতুনকে আইসোলেশনে পাঠানোর নির্দেশ দেন ।
বাকি ৬৪ জনের মধ্যে চাদপুর জেলার ৫জন , বগুড়ার ৩জন , নারানগন্জের ৫জন , যশোরের ৪জন , কুমিল্লার ৪ জন , কুষ্টিয়ার ৪জন , কক্সবাজারের ৪জন , মানিকগঞ্জের ২জন , নরসিংদীর৩ জন , টাঙ্গাইলের ৩ জন , রংপুরের৪ জন , রাজবাড়ির ৩জন , ঝিনাইদহের ৩জন , নওগাও এর ৩জন , মেহেরপুরের ২জন , চট্টগ্রামের ৩জন , জয়পুরহাটের ৩জন , নোয়াখালীল ৩জন , খুলনার ৩জন রয়েছে ।

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক মো নজরুল ইসলাম সরকার জানান, দর্শনা আন্তর্জাতিক চেকপোষ্ট দিয়ে প্রায় সাড়ে তিন শ বাংলাদেশী পাসপোর্ট যাত্রী আসতে পারবে, তাদের জন্য দামুডহুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও চুয়াডাঙ্গাা নার্সিং ইন্সটিটিউটে ১৪দিনের বাধ্যতা মুলক কোয়ারেন্টিনে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। চলতি মাসের ১২মে তারিখ দু দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের বৈঠক শেষে দর্শনা আন্তর্জাতিক চেকপোষ্ট সহ দেশের ৩টি স্থল পথে বাংলাদেশীদের ফেরত নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

Author: Mansur Talukder

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *